যমেশ্বর শিব মন্দিরের মনোরম উদ্যানে গদাধর পণ্ডিত প্রত্যহ শ্রীমদ্ভাগবত পাঠ করতেন। যেখানে মহাপ্রভু কখনই অনুপস্থিত থাকতেন না। গদাধরের শ্রীমুখে মহাপ্রভু শতবার ধ্রুব মহারাজের উপাখ্যান শ্রবণ করেছেন। একদিন মহাপ্রভু অপ্রাকৃত কৃষ্ণবিরহ লীলা প্রকাশ করলেন। তিনি কৃষ্ণের খোঁজে ভূমি খনন করতে লাগলেন। একসময় একটি পাথরের মুকুটের অগ্রভাগ দেখা গেল। মহাপ্রভু গদাধরকে বললেন,"গদাই, এখানে এক অমূল্য সম্পদ আছে তুমিকি আমার কাছ থেকে তা নিতে চাও?" গদাধর প্রভু বিস্মিত হলেন। অতপর তারা দুজনে মিলে সেই বিগ্রহকে বালুকা রাশি হতে উত্তোলন করলেন। মহাপ্রভু বিগ্রহের নাম দিলেন গোপীনাথ। আর উদ্যানে বিহারী (উড়িয়া ভাষায় তোটা) বলে তাঁর নাম হলো তোটা গোপীনাথ। অতপর শ্রীমন্মহাপ্রভু শ্রী গদাধর প্রভুর ক্ষেত্রসন্ন্যাসের ব্যবস্থা করে তাকে তোটা গোপীনাথের সেবায় নিযুক্ত করলেন।
এক গ্রামে এক গরীব বুড়ি বাস করত । জ্বালানীর অভাবে সে কিছু দূরে এক বনের মধ্যে ঢুকল । শুকনো ডালপালা জোগাড় করে একটি বড় বোঝা বাঁধল । বো ঝাটি একটু ভারী হওয়ার জন্য কোনভাবে বুড়ি তা নিজের মাথায় তুলতে পারল না । বার বার চেষ্টা করেও বিফল হল । সাহায্য করার জন্য কাছাকাছি কোন লোকজনকেও সে দেখতে পেল না । তখন সে ভগবানকে ডাকতে লাগল- “ হে ভগবান , ঘরে নাতি- নাতনিরা না খেয়ে আছে । আমি জ্বালানি নিয়ে গেলে ভাত রান্না হবে । হে দয়াময় , কৃপা করে এই বোঝাটি তুলে দাও । হে হরি , বেলা গড়িয়ে যাচ্ছে আমাকে বোঝাটি তুলে দাও । ” বুড়িমার কাতর মিনতি শুনে হঠাৎ এক সুন্দর বালক এসে হাজির হল । আমারও সময় নেই , শীগগিরি বলো- কি করতে হবে আমাকে ? বালকটি বলল । বুড়িমা বলল , মাথায় বোঝাটি তুলে দাও । অমনি বালকটি বোঝাটি তুলে দিয়ে বলল- আর কি করতে হবে ? উত্তরে বুড়িমা বলল- না বাবা , আর কিছু চাই না । তক্ষুনি ছেলেটি হাওয়ায় অদৃশ্য হয়ে গেল । বুড়ি কাউকে দেখতে না পেয়ে ঘরের দিকে বোঝা মাথায় চলতে লাগল । হিতোপদেশ - বর্তমান যুগে অধিকাংশ মানুষই পরমেশ্বর ভগবানকে নিজেদের চাকর বা দাস বানাতে চায় । ভগ...

মন্তব্যসমূহ